Breaking News
Home / Adult / বা’স’র রা’তে বি’ড়া’ল মা’রা ব’লতে কি বু’ঝা’য়, কি’ভা’বে মা’র’তে হ’য়!

বা’স’র রা’তে বি’ড়া’ল মা’রা ব’লতে কি বু’ঝা’য়, কি’ভা’বে মা’র’তে হ’য়!

চলুন, আগে বিড়াল মা’রার কাহিনীটা শুনা যাক। একদা বাগদাদের বাদশাহ এর ছিল দুইজন কন্যা। এই দুই রাজকন্যা ছাড়া তার ছিল না কোন রাজপুত্র। রাজকন্যা দুজন ছিল বাদশা এর অনেক অনেক আদরের।

সবসময় দুই রাজ কন্যার জন্যে দশ পনেরো জন দাসী প্রস্তুত থাকতো। কখন কোনো রাজকন্যার কি দরকার হবে আর তারা হুকুম পালন করবে। দুই রাজকন্যারই একটা করে বিড়াল ছিলো। বিড়াল দুটো ছিলো তাদের সবসময় এর সাথী। তারা খেতে বসলে এমনকি ঘু’মাতে গেলেও ঐ বিড়াল দুটো সাথে সাথে থাকত। তো দেখতে দেখতে দুই রাজকন্যাই একসময় বড় হয়ে গেলো। তারা বিবাহ উপযুগি হয়ে গেলো। তারপর বাদশাহ এর

চিন্তা বাড়তে লাগল, কারন এই দুই রাজকন্যার জামাইদের উপরেই তার এই বিশাল রাজ্যের দায়িত্ত দিয়ে যেতে হবে। সুতরাং এমন যোগ্য দুজন ছেলে খুজে বের করতে হবে। যারা এই গু’রু দায়িত্ব ভালো ভাবে পালন করতে পারবে। সারা রাজ্যে অনেক খোজাখুজি করে এমন দুইভাই পাওয়া গেলো যাদের কাছে রাজকন্যাদের বিয়ে দেয়া যায় বলে বাদশাহ এর মনে হল। তারপর অনেক ধুমধাম করে বিয়ে হল দুই রাজকন্যার একসাথে।

অতঃপর বাদশাহ দুই মেয়ে জামাইকে সমান ভাবে রাজ্যের দায়িত্য ভাগ করে দিলেন। এরপর দুই ভাই রাজ্য চালনা নিয়ে অনেক ব্যাস্ত হয়ে পরলো। দুইজনের অনেক দিন দেখা সাক্ষাত নেই। হঠাত করেই রাজ্যের একটা বড় অনুষ্ঠানে দুই ভাই এর দেখা হয়ে গেলো। তারপর দুইজনই আবেগে আপ্লুত হয়ে পরলো এতদিন পরে ভাইএর সাথে দেখা এই জন্যে।

তারপর অনেক কথায় কথায় ছোট ভাই জিজ্ঞাসা করলো তাদের বৌ মানে রাজকন্যাদের কথা। তখন বড় ভাই বলল হু’ম, বড় রাজকন্যা তাকে অনেক সমীহ করে চলে। তার কোন কাজই করা লাগে না। ইত্যাদি ইত্যাদি। এইসব শুনে ছোটভাই বলল ছোট রাজকন্যা তার কোন যত্নই করে না। সবসময় রাগা রাগি করে এমন কি মাঝে মাঝে গায়েও হাত তুলে। তখন বড় ভাইকে জিজ্ঞাসা করল কিভাবে রাজকন্যাকে বশ করল? তখন বড় ভাই বলল, রাজকন্যার বিড়ালের কথা।

ছোট ভাই বলল হ্যাঁ ওই বিড়ালকে তো আমা’র চাইতেও বেশি যত্নে রাখে। বড়ভাই বলল, হ্যাঁ, প্রথম দিন বাসর রাতে ঘরে ঢুকেই আমি একটা তরবারি দিয়ে ওই বিড়ালের ওপরে দিলাম এক কো’প। ব্যাস একবারে দুইভাগ। এই ঘটনায় বড় রাজকন্যা ভাবলো আমি মনে হয় অনেক বড় কোন বীর, এরপর থেকেই সে আমাকে অনেক সমীহ করে চলে। তো এই কথা শুনে ছোটভাই মনে মনে ভাবলো ঠিক আছে আজকে বাড়ী ফিরেই বিড়ালের জীবন নাশ করা লাগবে।

তারপরে আবার অনেকদিন পরে দুই ভাই এর দেখা। এবার ছোট ভাই এর শরীরে অনেক কা’টা দাগ। বড়ভাই জিজ্ঞাসা করলো কি খবর কোন যু’দ্ধে আ’হত হয়েছিলে নাকি? ছোটভাই বলল, না ভাই তোমা’র ঘটনা শুনে আমি ওইদিন বাসায় গিয়ে তরবারি নিয়ে এক কো’পে বিড়ালটাকে দুইভাগ করে দিলাম। কিন্তু আমা’র বেলায় ঘটনা উলটো হল। আমাকে এর শাস্তি সরূপ একমাস কারা’ব’ন্দি আর অত্যাচার ভোগ করা লাগলো।

তখন বড়ভাই বলল, বিড়াল বাসর রাতেই মা’রতে হয়, পরে মা’রলে কোন লাভ নাই। প্রকৃতপক্ষে বাসর রাতে বিড়াল মেরে কিছু হয় না। এগু’লো শুধুই গল্প কথা…. এর সাথে ইসলামের দূরতমও কোন সম্পর্ক নেই। এ ধরনের অহেতুক কুসংস্কার থেকে আমা’দের বেঁচে থাকা উচিৎ। আল্লাহ আমা’দের তাওফিক দিন। আমীন!

About Admin

Check Also

লজ্জার সীমা ছারিয়েছে ছাড়িয়েছে ‘জরুরত পালঙ্ক তোড়’-এর অভিনেত্রী, ভুলেও কারও সামনে ক্লিক করবেন না

বর্তমান যুগে ভারতের মানুষের কাছে সবথেকে আকর্ষনীয় প্লাটফর্ম হয়ে উঠেছে বিভিন্ন ওটিটি প্ল্যাটফর্ম। এখানে নানান ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.