Tuesday , November 29 2022
Home / News / বাড়িতে বা ছাদে ছোট্ট লঙ্কা গাছ হলেও হবে গাছজুড়ে প্রচুর লঙ্কা, শুধু গাছের গোড়ায় দিয়ে দিন এই ঘরোয়া জিনিস

বাড়িতে বা ছাদে ছোট্ট লঙ্কা গাছ হলেও হবে গাছজুড়ে প্রচুর লঙ্কা, শুধু গাছের গোড়ায় দিয়ে দিন এই ঘরোয়া জিনিস

গাছপালা লাগাতে কিন্তু অনেকেই ভালোবাসেন তবে সেই গাছের সঠিক যত্ন কিভাবে করা যেতে পারে এই সম্বন্ধে ধারণা অনেকের মধ্যেই নেই।। যার ফলস্বরূপ অনেক বাড়িতে বাগান থাকলেও কিন্তু সঠিকভাবে গাছের বৃদ্ধি হয় না।

সুতরাং যে কোনো গাছ লাগানোর আগে কিন্তু আপনাদের কিভাবে যত্ন করা যাবে এবং কি কি জিনিস প্রয়োগ করলে গাছের বৃদ্ধি ভালো হয় এই সমস্ত ব্যাপারে জেনে নেওয়া প্রয়োজন। আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা আলোচনা করব কিভাবে সম্পূর্ণ ঘরোয়া দুটি উপায়ে আপনারা মরিচ গাছের পাতা কোকরানো ঠিক করে নিতে পারবেন। পাশাপাশি কিভাবে এই গাছের ফলন দ্বিগুণ করা যেতে পারে সেই নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করব।

শুধুমাত্র কৃষকরা নয় যারা কিচেন গার্ডেন তৈরি করেছেন বা হয়তো ছাদে বাগান রয়েছে তারা কিন্তু খুব সহজেই মরিচ চাষ করতে পারেন।। তবে বদ্ধ কোন জায়গার থেকে খোলা বাগানেই কিন্তু এই গাছের চাষ ভালো হয়ে থাকে। মরিচ চাষ করার জন্য আপনাদের প্রথমেই ভালো জাতের হাইব্রিড চারা কিনে নিয়ে আসতে হবে। কারণ ভালো জাতের চারা না হলে কিন্তু কখনোই লঙ্কা ভালো হবে না।

এবারে গাছ যতদিন ছোট থাকবে ততদিন পর্যন্ত কিন্তু ভালোভাবে আপনাদের যত্ন করতে হবে। মরিচ গাছ যখন বাড়তে শুরু করে দেখবেন এর গোড়ায় অনেক বেশি পরিমাণে আগাছা জন্ম নেয়। যতটা সম্ভব আপনাদের এই আগাছাগুলিকে কিন্তু পরিষ্কার করে নিতে হবে।

পাশাপাশি যদি গাছে কোনরকম পোকামাকড় থাকে বা আচমকাই বৃদ্ধি ব্যাহত হয় সেক্ষেত্রে আপনারা পটাশ সার ব্যবহার করতে পারেন।। মরিচ গাছের ফলন বাড়ানোর জন্য পটাশ সার কিন্তু বিশেষভাবে উপকারী। তবে একেবারে গাছের গোড়ায় এই সার ব্যবহার করা যাবে না। মোটামুটি গাছের গোড়া থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে পটাশ সার ছড়িয়ে দিতে হবে।

পটাশ সার ছাড়াও মরিচ গাছের ফলন বৃদ্ধিতে ডিএপি সার বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি মরিচ গাছের জন্য আপনারা এই সার ১০ গ্রাম পরিমাণ পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেন।। গাছের শাখা প্রশাখা এবং ফলন বৃদ্ধিতে কিন্তু এই সারের কিন্তু মুখ্য ভূমিকা রয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় গাছের বৃদ্ধির জন্য আপনারা ইউরিয়া সার ব্যবহার করতে পারেন। এতে কখনোই আপনার গাছের বৃদ্ধি কিন্তু থেমে থাকবে না। এই সার গাছের ব্যবহার করলে যেমন বৃদ্ধি কখনোই ব্যাহত হবে না ঠিক তেমনভাবেই ফলন এর পরিমাণ কিন্তু স্বাভাবিকের থেকে কিছুটা বেশি হবে।

সাধারণত যে কোন গাছেই ক্যালসিয়াম থাকলে ফুলের পরিমাণ বেশি হয়। মরিচ গাছের ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম যোগানের জন্য আপনারা ডিমের খোসার গুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন।। একটি মরিচ গাছের জন্য আপনারা কুড়ি থেকে ত্রিশ গ্রাম পরিমাণ এটি ব্যবহার করতে পারেন। এই জিনিসটি দিলে গাছের যে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হবে তা কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই আপনারা লক্ষ্য করতে পারবেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য সার দেওয়ার আগে গাছের গোড়ায় থাকা মাটি সামান্য সরিয়ে কিন্তু সারগুলি ছড়িয়ে দেবেন।

এতে আরও বেশি ভালো কাজ হবে।সারের পাশাপাশি মরিচ গাছে যাতে জলের পরিমাণ সঠিক থাকে সেই দিকেও আপনাকে নজর দিতে হবে। কারণ জল না দিলে কিন্তু অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই মরিচ গাছ শুকিয়ে মারা যাবে। আপনারা এই গাছের তিন থেকে পাঁচ দিন পর পর জল দিতে পারেন। তবে যদি মোটামুটি শুষ্ক মাটিতে আপনারা এই গাছ চাষ করে থাকেন তবে কিন্তু আপনাকে প্রতিদিন মরিচ গাছের প্রয়োজনমত জল সরবরাহ করতে হবে।

 

Check Also

ঘরের মধ্যে খুদে কেশবকে কোলে নিয়ে ভঙ্গিতে নাচলো অভিনেত্রী মধুবনী, ভিডিও ভাইরাল

বাদশা’ র গাওয়া jugnu গান এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে রীতিমতো ভাইরাল (Viral)। ট্রেন্ডিং এই গানে সেলিব্রেটি ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *