Breaking News
Home / Exception / ভয়া’নক ভূমিকম্পে কাঁ’পবে কলকাতা, ডেঞ্জারজোনে রয়েছে এই ৫ টি এলাকা

ভয়া’নক ভূমিকম্পে কাঁ’পবে কলকাতা, ডেঞ্জারজোনে রয়েছে এই ৫ টি এলাকা

ভয়ানক ভূমিকম্পে কেঁপে উঠবে কলকাতা, আইআইটি খড়্গপুরের গবেষকরা এমনই সতর্কবাণী শোনালো সম্প্রতি। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের তীব্রতা হবে ৬.১ থেকে ৬.৮ অবধি। ক্ষতি হবে ৫০ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি। ইন্দোনেশিয়া ও নেপালে সুনামি এবং ভূমিকম্পে প্রচুর ক্ষতি দেখেছে বিশ্ববাসী। তবে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন এ ক্ষতি কিছুই নয়। আরো বড় কিছু হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

সবথেকে ডেঞ্জারজোনে রয়েছে রাজারহাট, নিউটাউন, পার্কস্ট্রিট, সল্টলেক, দমদমের মতো ঘন জনবসতিপূর্ন এলাকা। প্রচুর মানুষের প্রাণহানি হবে বকে মনে মরা হচ্ছে। তবে গবেষকরা চেষ্টা করছেন কীভাবে এই বিপর্যয়ের মোকাবিলা করা হয় সেই রাস্তা খুঁজতে।

১১০০ কেজি কুকুরের মাংস উদ্ধার, হোটেলে খাসি বলে খাওয়ানো হচ্ছে কুকুরের মাংস…

চারদিক থেকে ঘেরা ছোট একটি জায়গা। দেখতে ঘরের মতোই। বেশ কয়েকদিন ধরে সেখানে আসা-যাওয়া করেন কয়েকজন অচেনা ব্যক্তি। সন্ধ্যা নামলেই বাড়ে তাদের আনাগোনা। এর পাশেই রয়েছে কয়েকটি ঘর। গাড়ি নিয়ে সেখানে ঢুকে পড়ে একদল লোক। ভেতরে যাওয়ার পর তালা লাগিয়ে দেয়া হয় প্রবেশ দরজায়।

এতে সন্দেহ আরো বেড়ে যায়।গেটে তালা থাকায় স্থানীয়রা ওই আবদ্ধ জায়গায় ঢুকতে পারেননি। কিন্তু গত ২-৩ দিন ধরে ওই ঘেরা জায়গার ভেতর থেকে উৎকট দুর্গন্ধ আসছিল। কিন্তু কেন এত দুর্গন্ধ, তা সরেজমিনে দেখতেই সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয়রা প্রাচীর টপকে ভেতরে ঢোকেন।

ভারতীয় একটি গণমাধ্যম বলছে, সেখানে গিয়ে তারা যা দেখতে পান তাতে অনেকের চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার দশা। লোকচক্ষুর আড়ালে কাটা হচ্ছে কয়েক সপ্তাহ আগের মরাগলা বিড়াল-কুকুর। এই খবর জানাজানি হতেই এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হয়। একটি গাড়ি আটক করে ভাঙচুর চালায় স্থানীয় জনতা।

কিন্তু অন্ধকারের কারণে চার-পাঁচজন সেখান থেকে পালিয়ে যায়। তবে গ্রামবাসীদের হাতে ধরা পড়ে এক পাচারকারী। আটক ব্যক্তি বলেছেন, কলকাতার মধ্যমগ্রামের বিভিন্ন হোটেলে, যশোর রোডের দু’ধারের একাধিক রেস্তোরাঁয় কুকুর বিড়ালের মাংস সরবরাহ করেন তারা।

ওই ব্যক্তি আরো বলেন, কুকুর-বিড়ালের মাংসকে খাসির মাংস বলে বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁতে দেয়া হতো। এই চক্রের অন্যান্য সদস্যদের বাড়ি কলকাতার দেগঙ্গার বিভিন্ন এলাকায়।উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে দেশটির চেন্নাই প্রদেশের এগমোর রেলওয়ে প্ল্যাটফর্ম থেকে ১১০০ কেজি কুকুরের মাংস উদ্ধার করা হয়। এসব মাংস প্রদেশের বিভিন্ন হোটেলে সরবরাহ করা হতো বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এক পুত্র তার বৃদ্ধ বাবাকে নিয়ে রেস্টুরেন্ট এ খাচ্ছিল, আর এটা দেখে আশে পাশের লোক জন হাঁসাহাসি করায় পুত্র কি উত্তর দিল

এক পুত্র নিজের বৃদ্ধ পিতাকে রাতের খাবারের জন্য একটা রেস্টুরেন্ট এ নিয়ে গেল। খাবার খাওয়ার সময় বৃদ্ধ পিতা অনেকবার খাবার নিজের কাপড়ে ফেলল। ওখানে বসে থাকা অন্য লোকেরা বৃদ্ধকে ঘৃণার নজরে দেখছিল। কিন্তু বৃদ্ধের পুত্র শান্ত ছিল। খাবার পর লজ্জা না পেয়ে পুত্র বাবাকে ওয়াশরুম নিয়ে গেলেন।

বৃদ্ধের কাপড় পরিষ্কার করল, চেহারা পরিষ্কার করল, চিরুনি দিয়ে চুল আছড়ে চশমা পড়িয়ে বাইরে নিয়ে এলেন। সবাই চুপ করে ওদের দেখতে লাগল।পুত্র বিল দিয়ে বাবাকে নিয়ে বাইরে যাবার জন্য পা বাড়াল।তখনই খাবার রত অন্য এক বৃদ্ধ পুত্রকে বলল “তুমি কি কিছু ভুলে যাচ্ছ এখানে?” পুত্র জবাব দিল “না স্যার, আমি এখানে কিছু ছেড়ে যাচ্ছি না”. বৃদ্ধ বলল “” তুমি এখানে প্রত্যেক পুত্রের জন্য ছেড়ে যাচ্ছ একটা শিক্ষা আর প্রত্যেক পিতার জন্য আঁশা।”

সাধারণত আমরা বৃদ্ধ বাবা-মা কে বাইরে নিয়ে যেতে চাই না আর ধিক্কার দিই কি করবে ভাল করে চলাফেরা করতে পার না , ঠিক ভাবে খেতে পার না , তোমরা বাড়িতেই ঠিক। আপনি কি ভুলে গেছেন আমরা যখন ছোট ছিলাম, বাবা-মা কোলে করে আমাদের নিয়ে যেত ,

নিজের হাতে খাইয়ে দিত আর খাবার পরে গেলে বকতেন না , ভালবাসতেন। তাহলে বাবা-মার বয়স হয়ে গেলে আমাদের কাছে বোঝা লাগে কেন??? বাবা-মা আমাদের সবচেয়ে আপন , তাঁদের সেবা করুন , ভালবাসা দিন। কেননা একদিন সবাইকেই বৃদ্ধ হতে হবে।

“নাকফুলটা বিক্রি করে আমার কাফনের কাপড় কিনে দিও”

বিদ্ধাশ্রম থেকে একজন মায়ের চিঠি আমার আদর ও ভালোবাসা নিও।

অনেক দিন তোমাকে দেখি না, আমার খুব কষ্ট হয়। কান্নায় আমার বুক ভেঙে যায়। আমার জন্য তোমার কী অনুভূতি আমি জানি না। তবে ছোটবেলায় তুমি আমাকে ছাড়া কিছুই বুঝতে না। আমি যদি কখনও তোমার চোখের আড়াল হতাম মা মা বলে চিৎকার করতে। মাকে ছাড়া কারও কোলে তুমি যেতে না। সাত বছর বয়সে তুমি আমগাছ থেকে পড়ে হাঁটুতে ব্যথা পেয়েছিলে। তোমার বাবা হালের বলদ বিক্রি করে তোমার চিকিৎসা করিয়েছেন। তখন তিন দিন, তিন রাত তোমার পাশে না ঘুমিয়ে, না খেয়ে, গোসল না করে কাটিয়েছিলাম।

এগুলো তোমার মনে থাকার কথা নয়। তুমি একমুহূর্ত আমাকে না দেখে থাকতে পারতে না।বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আমার বিয়ের গয়না বিক্রি করে তোমার পড়ার খরচ জুগিয়েছি। হাঁটুর ব্যথাটা তোমার মাঝে মধ্যেই হতো। বাবা… এখনও কি তোমার সেই ব্যথাটা আছে?

রাতের বেলায় তোমার মাথায় হাত না বুলিয়ে দিলে তুমি ঘুমাতে না। এখন তোমার কেমন ঘুম হয়? আমার কথা কি তোমার একবারও মনে হয় না? তুমি দুধ না খেয়ে ঘুমাতে না। তোমার প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। আমার কপালে যা লেখা আছে হবে। আমার জন্য তুমি কোনো চিন্তা করো না। আমি খুব ভালো আছি। কেবল তোমার চাঁদ মুখখানি দেখতে আমার খুব মন চায়। তুমি ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করবে। তোমার বোন….তার খবরাখবর নিও। আমার কথা জিজ্ঞেস করলে বলো আমি ভালো আছি।

আমি দোয়া করি, তোমাকে যেন আমার মতো বৃদ্ধাশ্রমে থাকতে না হয়। কোনো এক জ্যোস্না ভরা রাতে আকাশ পানে তাকিয়ে জীবনের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে একটু ভেবে নিও। বিবেকের কাছে উত্তর পেয়ে যাবে। তোমার কাছে আমার শেষ একটা ইচ্ছা আছে।

আমি আশা করি তুমি আমার শেষ ইচ্ছাটা রাখবে। আমি মারা গেলে বৃদ্ধাশ্রম থেকে নিয়ে আমাকে তোমার বাবার কবরের পাশে কবর দিও। এজন্য তোমাকে কোনো টাকা খরচ করতে হবে না। তোমার বাবা বিয়ের সময় যে নাকফুলটা দিয়েছিল সেটা আমার কাপড়ের আঁচলে বেঁধে রেখেছি।

নাকফুলটা বিক্রি করে আমার কাফনের কাপড় কিনে নিও। তোমার ছোটবেলার একটি ছবি আমার কাছে রেখে দিয়েছি।ছবিটা দেখে দেখে মনে মনে ভাবি এটাই কি আমার সেই খোকা! এভাবে বেদনা ভরা একটি খোলা চিঠি ছেলের উদ্দেশে লিখেছেন মদিনা খাতুন (ছদ্মনাম),মদিনা খাতুনের বয়স এখন আশি। ছয় বছর আগে তার আশ্রয় জুটেছে বৃদ্ধাশ্রমে।

About Admin

Check Also

অনেক ছোট বয়সে হয়েছে বিয়ে, স্বপ্ন ছিলো ডাক্তার হবার, আজ স্বামী অটো চালিয়ে স্ত্রীকে পড়িয়ে করলেন ডাক্তার!

বহু প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের সমাজে এমন অনেক কুপ্রথা প্রচলিত রয়েছে যা জীবনযাত্রার উপর ব্যাপক প্রভাব ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.